তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ও নিয়ম - তাহাজ্জুদ সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত

প্রতিটি মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব সবথেকে বেশি। কিন্তু আপনারা অনেকে আছেন যারা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে চান তবে তাহাজ্জুদ নামাজের সময়, তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম, ইত্যাদি বিষয়গুলো জানেন না। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা আপনাদেরকে সে সকল বিষয় সম্পর্কে জানাবো।
তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত



ভূমিকা

প্রতিটি মুসলমানের জন্য নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি আর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা তো প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ তবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পরে যেই নামাজের গুরুত্ব সব থেকে বেশি সেটি হল তাহাজ্জুদ নামাজ। হাদিসে এসেছে যে যারা বিনা হিসেবে জান্নাত যাবেন তাদের ভিতর একদল এমন থাকবে যারা খুবই যত্নের সহকারে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেছে। 

নবী করিম সাঃ এরশাদ করেছেন; রমজান মাসের পর সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা হল আল্লাহর মাস মহরমের রোজা আর ফরজ নামাজের পরই সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (মুসলিমঃ১১৬৩)। রাতের শেষের দিকে সুখের ঘুম ত্যাগ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নামায আদায় করায় মূলত তাহাজ্জুদ। তাহাজ্জুদ নামাজ মূলত একটি নফল ইবাদত।এই ইবাদত পালন করা নেককার ও উত্তম বান্দার বৈশিষ্ট্য। আজকে আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে তাহাজ্জুদ নামাজের সময় ও নিয়ম এবং তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব

একজন মুসলমান হিসেবে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রিয় রাসূল নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকেন নাই। তবে তার উম্মতদের জন্য এই ইবাদতটি একটি নফল ইবাদত। তাহাজ্জুদ নামাজ কে সর্বোত্তম নফল ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। 

হাদিসে এসেছে যে জনি গণ্য ব্যক্তি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে তাহলে তার প্রার্থনা অবশ্যই কবুল হবে। কারণ তাহাজ্জুদ নামাজ যেই সময় পড়া হয় ওই সময় আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের জন্য নিচ আসমানে আসেন এবং বলতে থাকেন হে আমার বান্দারা কে আছো যে আমার কাছে চাইবে আমি তার সকল চাওয়া পূরণ করে দিব।
 
তাই এই নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম।আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, বিশেষ স্থানেঃ "রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, 'আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমি তোমাদের প্রিয় প্রিয় পর্য়ন্ত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েছি, তা হল, একই সময় থেকে দু'এবেক সুদায় পর্য়ন্ত, অথবা প্রায় তিনয়েক সুদায় পর্য়ন্ত।'" (মুসলিম)।

তাহাজ্জুদ নামাজের হাদিস

নবী করীম সাল্লাল্লাহু সালাম এর কাজ কথা গুলোকে হাদীস হিসেবে ধরা হয়।হাদিসে অনেক জায়গায় অনেক বার তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব এবং তাহাজ্জুদ নামাজ সম্পর্কে এসেছে। নিচে তাহাজ্জুদ নামাজ সম্পর্কে কিছু হাদিস তুলে ধরা হলোঃ
  1. আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তোমরা যে লোকের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে চায়, সেই লোক যে অবশ্যই রাতে উঠে থাকে।" (সহীহ মুসলিম)
  2. আইশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "আল্লাহ তাআলা যে লোকের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার প্রাপ্তি দেবেন, সে মুসলিম কোন তারার মতো হয়, যা রাতে তার কাছে অদৃশ্য হয়।" (সুনান আবু দাউদ)।
  3. আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার সময় রাতে থাকা, পূর্বসূচনা করা হয় না, সেই সময়টি মদ্যপানকারীদের বন্ধু বলে উল্লেখ করা হয়।" (সুনান আবু দাউদ)
  4. আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার মাধ্যমে মানব প্রাণী পরমেশ্বরের কাছে একটি অত্যধিক দুআ এবং মুকাবিলা অর্জন করে। আর তাহাজ্জুদ নামাজ সে ব্যক্তির প্রতি যেমন প্রয়োজন সেটি সবচেয়ে ভালো প্রয়োজন বিতরণ করে।" (সহীহ ইবন মাজাহ)
  5. আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, "তোমরা না জানো যে, আল্লাহ তাআলা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার মাধ্যমে তোমাদের প্রাপ্তিদের নিম্নলিখিত তিনটি কাজ বর্ণনা করেন - প্রথমত, তোমরা আপনার পরিবারের মধ্যে একত্রিত হও; দ্বিতীয়ত, তোমার বন্ধুবান্ধবের মধ্যে একত্রিত হও; তৃতীয়ত, তোমার শত্রুবাদী বন্ধুকে দোষ দিও না।" (সহীহ ইবন মাজাহ)
  6. আবু হুরাইরা (রাঃ) বর্ণিত করেন, যেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "আপনি আমাদের রব্বের দিকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বেন, কারণ এটি পূর্বলোকের কাছে কোন আবেগ সৃষ্টি করে না এবং আপনার আপনি রব্বের দিকে অধিক প্রার্থনা করতে সাহায্য করে।"
  7. আয়েশা (রাঃ) রিপোর্ট করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "আপনার রব্ব আপনার দিকে নেমে বলেন, এটা নেয়া হয়েছে কোনো জন্য যে কি প্রার্থনা চান?"
  8. আবু হুরাইরা (রাঃ) আরও বর্ণনা করেন, যেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "আপনি রব্বের দিকে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য পড়ুন, কারণ এটি পূর্বলোকের কাছে কোন আবেগ সৃষ্টি করে না এবং আপনি আপনার আপনি রব্বের দিকে অধিক প্রার্থনা করতে সাহায্য করে।"
  9. আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "আপনি তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য পড়ুন। তারা তাদের প্রস্তুতি প্রদর্শন করে এবং প্রয়োজনে অধিক প্রার্থনা করে।"

তাহাজ্জুদ নামাজের সময়

তাহাজ্জুদ নামাজ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম। তবে ঘুম থেকে না জাগার সম্ভাবনা থাকলে ইশার নামাজের পর দুই রাকাত সুন্নত ও বিতরের আগে তা পড়ে নেয়া জায়েজ আছে। এ নামাজের রাকাত সংখ্যা সর্বনিম্ন দুই রাকাত আর সর্বোচ্চ ১২ রাকাত পড়া উত্তম। তবে আরও বেশি পড়া জায়েজ আছে।

তাহাজ্জুদ নামাজের শেষ সময়

মধ্যরাতের পরে বা রাতের দুই-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হলে তাহাজ্জুদ নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়। রাত দুইটার পর থেকে ফজরের নামাজের ওয়াক্ত আরম্ভ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত। সাহরির সময় শেষ হলে তথা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হলে তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত শেষ হয়।

তাহাজ্জুদ নামাজের বাংলা নিয়ত

যে কোন নামাজের নিয়তের সম্পর্কটা হল নিজের মনের সাথে। আমি যদি নিজ মনে ভাবি আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আমি নামাজ আদায় করছি তাহলেই আমার নামাজের নিয়ত হয়ে যাবে। তবে আমরা যদি আরবীতে নিয়ত করতে চাই তাহলে সেটি হবে এইরকমঃ
নাওয়াইতুয়ান উছওয়াল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা , রাকাতাই ছালাতুল তাহাজ্জুদি সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। 
যার বাংলা অর্থ হচ্ছে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে কিবলামুখী হয়ে তাহাজ্জুদের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত করলাম। যদি আমরা আরবিতে বলতে না পারি অথবা আরবীতে বলায় অভ্যস্ত না হয়ে থাকে তাহলে নিজ মনে বাংলাতে নিয়ত করলেও হবে অর্থাৎ নিজ নিজ ভাষায় নিয়ত করা যাবে।

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত আরবীতে বাংলা উচ্চারণ

**আরবিতে নিয়ত:**
نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ رَكْعَتَيْ تَهَجُّدِ مُؤَدَّبَةً إِلَى اللَّهِ تَعَالَى (আপনি ইন্তেন্শ করলেন, আমি যে তাহাজ্জুদ নামাজের দুটি রাকা'ত পাড়বো, সেগুলি আল্লাহর দিকে মুখ করে।) **বাংলা উচ্চারণ:**"নওয়াইতু আন উছলিয়া রাক্‌আতাই তাহাজ্জুদি মুতাদ্দাবাতান ইল্লাল্লা-হু তা‘আলা।"

তাহাজ্জুদ নামাজের সূরা

১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজের প্রথম রাকাতে সূরা আল ইখলাস ১২ বার দ্বিতীয় রাকাতে ১১ বার তৃতীয় রাকাতে ১০ বার যথার্থ ডাকাতের ৯ বার অনুসারে দ্বাদশ রাকাতে একবার পড়তে হয়। তাছাড়া প্রত্যেক রাকাতে সূরা আল ইখলাস তিনবার অথবা একবার হিসেবে পড়া যায়। আবার সূরা আল ইনশিরাও, সূরা আল-মুয্যাম্মিল এবং আয়তাল কুরসি পড়া যায়।

তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত ও নিয়ত

তাহাজ্জুদ নামাজের নির্দিষ্ট কোন রাকাত নাই। তবে দুই রাকাত করে চার রাকাত থেকে শুরু করে যত টাকা দিচ্ছে আদায় করা যায়। তবে কিছু ইসলামী মনীষীদের মতে ন্যূনতম চার রাকাত আদায় করা অথবা এমন পরিমাণ সালাত আদায় করা যা প্রতিদিন অভ্যস্ত থাকতে পারবেন। 
হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাইস বলেন, আমি হযরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম, নবীজী বিতরে কত রাকাত পড়তেন? উত্তরে তিনি বলেন, চার এবং তিন, ছয় এবং তিন, আট এবং তিন, দশ এবং তিন। তিনি বিতরে সাত রাকাতের কম এবং তের রাকাতের অধিক পড়তেন না। -সুনানে আবু দাউদ: ১/১৯৩। 

আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে হযরত আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি হজরত আয়েশা (রা.) কে জিজ্ঞাসা করেন, রমজানে নবীজীর নামাজ কেমন হতো? তিনি উত্তরে বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে এবং রমজানের বাইরে এগারো রাকাতের বেশি পড়তেন না। প্রথমে চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না! এরপর আরও চার রাকাত পড়তেন, যার সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা তো বলাইবাহুল্য! এরপর তিন রাকাত (বিতর) পড়তেন। -সহিহ বোখারি: ১/১৫৪। 

উপরের হাদিসগুলো থেকে এটা বোঝা গেল যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম তাহাজ্জুদ নামাজ কখনো চার রাকাত পড়তেন, কখনো ছয় রাকাত পড়তেন, আবার কখনো ৮ রাকাত পড়তেন, কখনো কখনো দশ রাকাত পড়তেন। 

সুতরাং আমরা সহি হাদিস থেকে এটা পেলাম যে নবী করীম সা ১০ রাকাত পর্যন্ত তার জন্য নামাজ পড়েছেন তবে এর থেকে বেশি পড়লে সমস্যা হবে বা পড়া যাবে না এমন নয় নফল নামাজ যত আদায় করা যাবে তত বেশি সওয়াব হবে। সেই সঙ্গে এটা মাথায় রাখতে হবে যে যদি চার রাকাতের কম আদায় করেন তাহলে সেটি তাহাজ্জুদ নামাজ হিসেবে গণ্য করা হবে না আপনি চাইলে দুই রাকাত করে করে চার রাকাত অথবা তার থেকে বেশি পড়তে পারেন এতে কোন সমস্যা নেই তবে চার রাকাতের কম কোনোভাবেই আদায় করা যাবে না তাহলে সেটি তাহাজ্জুদ নামাজ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

মহিলাদের তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম

তাহাজ্জুদ নামাজ নারী-পুরুষ উভয়ই সমান ভাবে আদায় করতে পারবে। আল্লাহ তাআলা সকল নারী-পুরুষকে তার জন্য নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পুরুষ ও মহিলার মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার কোন পার্থক্য নাই।

শেষ কথা

তাহাজ্জুদ নামাজ ইসলামিক ধর্মে একটি বিশেষ নফল নামাজ যা রাতের অন্তত অপরাহ্ণের পর পড়া শুরু করে এবং সূর্যোদয়ের আগের সময়ে শেষ হয়। এই নামাজটি ইসলামী শাস্ত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়, এই নামাজ আদায় করা ব্যক্তিকে আল্লাহতালা অনেক ভালোবাসেন। তার জন্য আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতের কারণে এই নামাজটি পড়া আরো জরুরী হয়ে পড়ে। যেমন;

1. **আল্লাহের দিকে আপনকে নিয়ে যান:** তাহাজ্জুদ নামাজ আপনাকে রাতের সময়ে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গঠন করার সুযোগ দেয়। এ
2. **নিজেকে আত্ম-উন্নত করার সুযোগ:** তাহাজ্জুদ নামাজ আপনাকে আপনার চরিত্র উন্নতির সুযোগ দেয়।
3. **দু'আ এবং দোয়ার সুযোগ:** তাহাজ্জুদ নামাজে আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন। আর আল্লাহতালা আপনার দোয়া কবুল করলে আপনিউপকৃত হতে পারবেন। এই নামাজের মাধ্যমে আপনি আল্লাহর কাছে সব কিছু চাইতে পারবেন।
4. **মনস্থিতি এবং আত্মবিশ্বাস:** তাহাজ্জুদ নামাজ একটি মানসিক এবং মনের শান্তি তৈরি করার সুযোগ প্রদান করে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url